December 09, 2007

একজন শ্রমিকের স্মরণে

র‌্যাংগস্‌ ভবন নিয়ে অনেক কিছুই বলা হয়েছে। দুর্নীতির প্রতীক, ক্ষমতার অপব্যবহারের কালো স্তম্ভ, ইত্যাদি। ব্লগর ব্লগরও অনেক হয়েছে। আজকের খবরে দেখলাম যে সেই অখ্যাত ভবন ভাঙতে গিয়ে ২৫ জন আহত এবং একজন নিহত।

র‌্যাংগস ভবনকে নিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্ত অনেকে সমলচনা করেছিল, অনেকে নীতিগত ভাবে সমর্থন করেছিল, তবে বেশীর ভাগ মানুষই বিধ্বংসী উল্লাসে মেতে উঠেছিল। আজ একজন সাধারণ শ্রমিক মারা গেছেন সেই কাজ করতে গিয়ে। দুর্নীতি নয়, মাত্র দুর্নীতির এক প্রতীক ধ্বংস করতে গিয়ে।

তার পরিবারের কাছে জবাবদিহি করতে কে বা কারা এগিয়ে আসবে আজ? কারা আজ তার বাবা-মা বা ভাই-বোন বা ছেলে-মেয়েকে বোঝাবে কেন তাদের আপঞ্জনের মৃত্যু ঘটেছে? রাজুক? সুপ্রীম কোর্ট? ধ্বংস কাজের মূল ইঞ্জিনিয়ার? যারা তেজগাঁও বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্যে অধৈর্য হয়ে যাচ্ছিল? না কি আমরা, যারা সেই বিধ্বংসী উল্লাসে মেতে উঠেছিলাম?

ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন।

1 comment:

Zafa Noor said...

First of all – the demolition idea was wrong; it was politically motivated and indented to serve no real purpose to the public.
Second, the whole project was too large to be dealt by Rajuk – they just don’t have the expertise or the background. This was a disaster waiting to happen.
Third, the people in charge of site safety should be held accountable immediately. Who in earth would allow the workers sleep inside an 18 storey building where the top floors are being demolished!!?? It was a death trap!! Forget about sleeping in a building like this, nobody (who’s not in duty) should be allowed within 50 yards of the site. And were the workers wearing proper
How incompetent are those structural engineers heading this demolition project!!?? They have blood on their hands.

The death toll has risen to 3. Twenty others are trapped, and yet the rescue operation has been shut down. So those people trapped under the rubbles are going to be buried ALIVE !!??

My blood boils seeing the actions of this CG and the stooge of advisers like Mainul.